Online Marketing
Sunday, September 20, 2020
Saturday, February 23, 2019
25 Seo Forum profile backlink only 5$
Promote your website
.......................
25 Seo Forum profile backlink only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
.......................
25 Seo Forum profile backlink only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
50 Seo offtipic Forum posting only 5$
Promote your website
.......................
50 Seo offtipic Forum posting only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
.......................
50 Seo offtipic Forum posting only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
50 Seo Nishe relevent Forum posting only 5$
Promote your website
.......................
50 Seo Nishe relevent Forum posting only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
.......................
50 Seo Nishe relevent Forum posting only 5$
Please visit this site [Click Here]
Or my Fiverr account
visit [Click Here]
[I am sajjadur rahman, i am a talented seo expart, all catagory forum post in my service]
{Please Visit My Profile}
Thank You
Thursday, August 30, 2018
ক্যামেরার সামনে প্রথম অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না
মুমতাহিনা টয়া
মানুষকে বিনোদন দিতে টেলিভিশনের ছোট পর্দায় যাঁরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম একটি নাম মুমতাহিনা টয়া। মডেলিংয়ের পাশাপাশি অভিনয়েও টয়া সমানভাবে পারদর্শী। এবারের ‘ক্যামেরার সামনে প্রথম’ বিভাগে টয়া জানিয়েছেন তাঁর ক্যামেরার সামনে কাজ করার প্রথম মিষ্টি অভিজ্ঞতার কথা।
আমার শুরুটা হয়েছিল একটু অন্যভাবে। ২০০৯ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়েই প্রথম ক্যামেরার সামনে আসি। তবে এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আগে আমার এ ব্যাপারে কোনো ধারণাই ছিল না। কিন্তু অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আমার বিশ্ববিদ্যালয়েও নিবন্ধন শুরু হয়। আমার ক্যাম্পাসের অনেকেই নিবন্ধন করছিল দেখে আমিও চুপ থাকতে পারিনি। ওই সময় আমি একদম সাদামাটা কয়েকটা ছবি দিয়ে নিবন্ধন করেছিলাম। এরপর প্রথম রাউন্ডেই আমার ডাক আসে। অনেক মেয়ের মধ্যে থেকে অডিশনের জন্য ডাক আসায় আমি খুব খুশি হই। ওই সময়ই ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতা হয় আমার। তখন আমার কোনো ধারণাই ছিল না কীভাবে অডিশন হয়, সেখানে কী কী হয় বা গিয়ে কী বলতে হয়! ওটাই জীবনের প্রথম অডিশন ছিল আমার। একটু ভয়ে ভয়ে ছিলাম। তারপর ওই পর্বে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে বাকি তিন মাস ক্যাম্পে কাটিয়েছিলাম। ওই সময়ই ভয়টা ধীরে ধীরে কেটে গিয়েছিল। কারণ, তখন প্রায় প্রতিটা দিনই ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে হতো।
তারপর প্রতিযোগিতা থেকে বের হয়ে নিয়মিত কাজ শুরু করি। প্রথম কাজ করেছিলাম একটা টেলিছবির শুটিংয়ে। অদেখা মেঘের কাব্য নামের সেই টেলিছবির পরিচালক ছিলেন ঈশিতা আপু। শুটিংয়ে গিয়েও বেশ ভয় পেয়েছিলাম। অনেক কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। ঈশিতা আপু আমাকে নিয়ে বসে কাজ বুঝিয়ে দিয়েছেন, তারপর আমি শট দিয়েছিলাম। তারপর একটু একটু করে ক্যামেরার সামনের ভয়কে জয় করেই এখন নিয়মিত কাজ করছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।
অনুলিখন: তাসনিয়া লস্কর
প্রেম ও মারপিটের রসায়ন
মনে রেখো ছবিতে অভিনয় করেছেন মাহি ও বনি
পবিত্র ঈদুল আজহার উৎসবে মুক্তি পেয়েছিল চারটি ছবি—ক্যাপ্টেন খান, মনে রেখো, জান্নাত ও বেপরোয়া। বরাবরের মতো এবারও আনন্দ থেকে ছবিগুলোর সমালোচনা ছাপানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ ছাপা হলো ক্যাপ্টেন খান ও মনে রেখোর সমালোচনা। আগামী সংখ্যায় বাকি দুটির সমালোচনা ছাপা হবে।
মনে রেখো
পরিচালক: ওয়াজেদ আলী, অভিনয়: মাহিয়া মাহি, বনি, মিশা সওদাগর, সাদেক বাচ্চু।
প্রযোজনা: হার্টবিট প্রোডাকশন
পরিচালক: ওয়াজেদ আলী, অভিনয়: মাহিয়া মাহি, বনি, মিশা সওদাগর, সাদেক বাচ্চু।
প্রযোজনা: হার্টবিট প্রোডাকশন
চলচ্চিত্র দেখতে হয় চোখ দিয়ে আর অনুধাবন করতে হয় শরীর-মন-অনুভূতি-বুদ্ধিবৃত্তিক জ্ঞান দিয়ে। বেশির ভাগ দর্শকই চায় চলচ্চিত্রে একটি জমজমাট কাহিনি, নাচ-গান-কৌতুক বিনোদনপূর্ণ দৃশ্য-শব্দের ব্যঞ্জনায় দ্বন্দ্ব-সংঘাত-বিরহ শেষে মিলনের ঘনঘটায় চিত্তের সন্তুষ্টি। আর প্রযোজক-পরিচালক চান তাঁদের সৃষ্ট শিল্পপণ্যটি দর্শক-ভোক্তাদের দেখিয়ে, অর্থাৎ বিক্রি করে লগ্নিকৃত পুঁজি ফিরিয়ে তবে লাভবান হতে।
বর্তমানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে চরম মন্দাবস্থা বিরাজ করছে নানা কারণে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী আকর্ষণীয় গল্পের অভাব, সৃজনশীল নির্মাতার অভাব, প্রেক্ষাপটের অভাব, পুঁজির অভাব, আর্থসামাজিক-পারিপার্শ্বিক অস্থিরতা এবং সিনেমা হলের পরিবর্তে বিভিন্ন মাধ্যমে (টিভি চ্যানেল, ইন্টারনেট, ফেসবুক, মুঠোফোন, ইউটিউব, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টুইটার, ডিশ লাইন প্রভৃতি) ছবি দেখার সুযোগ। দর্শকেরা আর আগের মতো সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখে না। ফলে ছবি নির্মাণ বাবদ লাখ লাখ, এমনকি কোটির বেশি লগ্নি অর্থ ফেরত আসছে না। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে ২০১৮ সালের ঈদুল আজহা উপলক্ষে কয়েকটি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির মধ্যে হার্টবিট প্রযোজিত, ওয়াজেদ আলী সুমন পরিচালিত এবং বাংলাদেশ-ভারতের তারকা-কুশলীদের সমন্বয়ে নির্মিত মনে রেখো একটি।
‘সিনেমা বা চলচ্চিত্র’ আর আগের মতো নেই। নেই আগের মতো সেই ছবি এবং পরিচালনাও। তাই মনে রেখো দেখার সময় চলচ্চিত্রের সব ব্যাকরণ ভুলে যেতে হয়। পর্দায় ঘটনা যত এগোতে থাকে, ততই ভয়ংকর সব দৃশ্যের সমাবেশ ঘটতে থাকে। বাস্তবতা ও শিল্পবোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতাও উধাও হতে থাকে। টেন্ডারবাজি, মাস্তানি, গুন্ডামি, জোরপূর্বক আটকে রাখা, প্রতিহিংসা, চিৎকৃত সংলাপ, হাইবিট মিউজিক, ব্যান্ড পার্টির তালে তালে মারপিট, কলেজে লেখাপড়ার নামে আড্ডাবাজি, জোরপূর্বক প্রেম নিবেদন, ক্লাসে মাস্তানি ইত্যাদি চলতেই থাকে। ছবির আখ্যানভাগে একদিকে রয়েছে ঠিকাদার আশরাফ চৌধুরীর (সাদেক বাচ্চু) ছেলে লাকী। আসলে লাকী তার মৃত ভাই আসাদ চৌধুরীর পুত্র। অন্যদিকে রয়েছে টেন্ডারবাজি মাস্তান সরদার হিপ্পু (মিশা সওদাগর) ও তার ছোট ভাই সোহেল। লাকী ও সোহেলের নজর পড়ে ধনীর কন্যা কলেজছাত্রী মুনমুনের (মাহি) ওপর। দুজনই তার প্রেম পেতে চায়। মূলত দেখা যায়, ‘প্রেম’ নিয়েই যত দ্বন্দ্ব-সংঘাত, মারপিট-হত্যাকাণ্ড ঘটে মনে রেখো ছবিতে।
মূলত মারপিটনির্ভর এ ধরনের ছবিতে বোধ হয় পরিচালকের কিছু করার থাকে না সমন্বয়ের ভূমিকা পালন করা ছাড়া। বিভাগীয় নির্দেশকেরা কাহিনি ও সংলাপ লেখেন, শিল্পীরা অভিনয় করেন, মারপিট করেন, নাচ-গান হয়, ক্যামেরাম্যান চিত্র ধারণ করেন, সংগীতকার-শব্দধারকেরা মিউজিক বা শব্দ পাঞ্চ করেন আর সম্পাদক তা জোড়া লাগান। কাজেই এ ধরনের আলোকচিত্রিত বা ‘ফটোগ্রাফ থিয়েটারের’ মধ্যে চলচ্চিত্রের ভাষার অন্বেষণ করা বৃথা।
আগেই উল্লেখ করা হয়েছে, গল্প বা কাহিনি হচ্ছে একটি ছবির ‘প্রাণ’। কিন্তু মনে রেখোতে সেই প্রাণটিই নেই। এ ধরনের প্রেম ও মারপিট মাধ্যম কাহিনির সঙ্গে দর্শকেরা একাত্ম হতে পারে না। তারা তামিল, তেলেগু, হিন্দি ছবিতে এর চেয়ে ভালো উপাদানসমৃদ্ধ বিষয় দেখে থাকে নানা মাধ্যমে। কাজেই মনে রেখোর কাহিনি দর্শকের মনে দাগ কাটে না। এর দৃশ্যরূপ, শব্দ ও সংগীতের গ্রন্থনা, অভিনয়, মারপিট, সংলাপ অস্বাভাবিক, অবাস্তব ও অসহনীয়। ছবির শুরুতে যে মারপিটের শুরু হয়, শেষ দৃশ্য পর্যন্ত তা অক্ষুণ্ন² থাকে।
লেখক: চলচ্চিত্র লেখক ও গবেষক
Tuesday, August 28, 2018
বলুন তো ন্যূনতম কত সময় লাগবে?
ছোটবেলায় ঘড়ির সময় নিয়ে বন্ধুদের ধাঁধা ধরতাম। তখন তো আমাদের হাতঘড়ি বেশি ছিল না।
কথাগুলো বললাম এ জন্য যে এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। আপনি সূর্যঘড়ি বরাবর দাঁড়ালে দেখবেন সময়–নির্দেশক ছায়াটি বাঁ থেকে ডানে যাচ্ছে। এর কারণ হলো আমরা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে। তাই সূর্য থাকে দক্ষিণে। এ জন্যই পরে ইংল্যান্ডে আবিষ্কৃত কাঁটাযুক্ত ঘড়ির সময়–নির্দেশক কাঁটা বাঁ থেকে ডানে ঘোরার ব্যবস্থাই স্বাভাবিকভাবে গৃহীত হয়। সব ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে। একে বলি ক্লকওয়াইজ ডিরেকশন।
স্কুলে পড়ার সময় আমাদের কেউই হাতঘড়ি পরতাম না। আর মোবাইলের তো প্রশ্নই নেই। আমরা বলধা গার্ডেনে দল বেঁধে যেতাম। সে প্রায় ৫০-৬০ বছর আগের কথা। ঢাকার ওয়ারীতে বলধা গার্ডেনে ছিল একটা সূর্যঘড়ি। একটা অর্ধবৃত্তাকার সিমেন্টের স্থাপনা, পশ্চিম থেকে পুবে ঢালু হয়ে আবার উঁচু। সেখানে সকাল প্রায় ছয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দাগ কেটে সময় লেখা আছে। মাঝ বরাবর একটি লোহার রড। সূর্য পূর্ব দিকে উঠে পশ্চিমে যেতে থাকলে সেই রডের ছায়া ক্রমে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় নির্দেশ করত। সূর্য পূর্ব থেকে পশ্চিমে যায় আর রডের ছায়া পশ্চিম থেকে পূর্বে যায়। সেই ছায়া দেখে বলে দেওয়া যায় কয়টা বাজে। সূর্যঘড়ির ঢালটি দক্ষিণমুখী। কারণ, না হলে সেখানে সূর্যের ছায়া পড়ত না। বন্ধুদের জিজ্ঞেস করতাম, বল তো কয়টা বাজে? যারা সূর্যঘড়ি চিনত না, ওরা বলতে পারত না। আমরা বাঁকা চোখে সূর্যঘড়ির দাগ দেখে সময় বলে দিতাম। সবাই অবাক হয়ে যেত। এখনো সেই সূর্য ঘড়ি আছে, কিন্তু রোদ আসে না। চারপাশে উঁচু আকাশছোঁয়া ভবনের আড়ালে সূর্য ঢাকা পড়ে গেছে।কথাগুলো বললাম এ জন্য যে এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। আপনি সূর্যঘড়ি বরাবর দাঁড়ালে দেখবেন সময়–নির্দেশক ছায়াটি বাঁ থেকে ডানে যাচ্ছে। এর কারণ হলো আমরা পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে। তাই সূর্য থাকে দক্ষিণে। এ জন্যই পরে ইংল্যান্ডে আবিষ্কৃত কাঁটাযুক্ত ঘড়ির সময়–নির্দেশক কাঁটা বাঁ থেকে ডানে ঘোরার ব্যবস্থাই স্বাভাবিকভাবে গৃহীত হয়। সব ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে। একে বলি ক্লকওয়াইজ ডিরেকশন।
ঘড়ি যদি অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম আবিষ্কার হতো, তাহলে হয়তো কাঁটা ঘুরত উল্টো দিকে, ডান থেকে বাঁয়ে! কারণ, অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ গোলার্ধে। সেখানে সূর্যঘড়ির ছায়া ডান দিক থেকে বাঁ দিকে ঘোরে। এখন ডিজিটাল ঘড়ি এসে গেছে। এ সপ্তাহে ডিজিটাল ঘড়ি নিয়ে একটি সমস্যা দিচ্ছি।
এ সপ্তাহের ধাঁধা
ডিজিটাল হাতঘড়িতে এখন সময় দেখাচ্ছে 10: 01 (সকাল ১০টা ১ মিনিট)। মজার ব্যাপার হলো ঘড়িটি আয়নার সামনে ধরে দেখি সেখানেও একই সময় দেখাচ্ছে, অর্থাৎ 10: 01, অথচ আয়নায় তো উল্টো দেখানোর কথা। এখন বলুন তো ন্যূনতম কত সময় পর ডিজিটাল ঘড়িতে এ ধরনেরই এমন একটি সময় দেখাবে, যা আয়নার সামনে ধরলেও একই থাকবে, উল্টো দেখাবে না? এবং তখন ডিজিটাল ঘড়িতে সময় কত?
খুব সহজ। কাগজ-কলমেরও দরকার নেই, শুধু মনে মনে চিন্তা করেই বলে দিতে পারেন। এক নিমেষে সমাধান বের করুন। অনলাইনে মন্তব্য আকারে অথবা quayum@gmail.com ই-মেইলে উত্তর পাঠিয়ে দিন। সঠিক উত্তর জানার জন্য দেখুন আগামী রোববার অনলাইনে।
ডিজিটাল হাতঘড়িতে এখন সময় দেখাচ্ছে 10: 01 (সকাল ১০টা ১ মিনিট)। মজার ব্যাপার হলো ঘড়িটি আয়নার সামনে ধরে দেখি সেখানেও একই সময় দেখাচ্ছে, অর্থাৎ 10: 01, অথচ আয়নায় তো উল্টো দেখানোর কথা। এখন বলুন তো ন্যূনতম কত সময় পর ডিজিটাল ঘড়িতে এ ধরনেরই এমন একটি সময় দেখাবে, যা আয়নার সামনে ধরলেও একই থাকবে, উল্টো দেখাবে না? এবং তখন ডিজিটাল ঘড়িতে সময় কত?
খুব সহজ। কাগজ-কলমেরও দরকার নেই, শুধু মনে মনে চিন্তা করেই বলে দিতে পারেন। এক নিমেষে সমাধান বের করুন। অনলাইনে মন্তব্য আকারে অথবা quayum@gmail.com ই-মেইলে উত্তর পাঠিয়ে দিন। সঠিক উত্তর জানার জন্য দেখুন আগামী রোববার অনলাইনে।
গত সপ্তাহের ধাঁধার উত্তর
ধাঁধাটি ছিল এ রকম: বলুন তো (৩)১৭ কে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে কত অবশিষ্ট থাকবে?
ধাঁধাটি ছিল এ রকম: বলুন তো (৩)১৭ কে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে কত অবশিষ্ট থাকবে?
উত্তর
অবশিষ্ট থাকবে ৯
ধাঁধাটি সম্ভবত একটু কঠিন ছিল। তাই সঠিক উত্তর খুব কমই এসেছে। যাঁরা উত্তর দিয়েছেন বা চেষ্টা করেছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ।
অবশিষ্ট থাকবে ৯
ধাঁধাটি সম্ভবত একটু কঠিন ছিল। তাই সঠিক উত্তর খুব কমই এসেছে। যাঁরা উত্তর দিয়েছেন বা চেষ্টা করেছেন, তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ।
কীভাবে উত্তর বের করলাম
প্রথমে হিসাব করে দেখলাম (৩)৩ = ২৭ = (২৬ + ১)। ২৭–কে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকবে ১। মনে করি ‘ক’ একটি ধনাত্মক স্বাভাবিক সংখ্যা। এখন ক-এর মান যা-ই হোক না কেন, (৩৩)ক সংখ্যাটিকে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে ১ অবশিষ্ট থাকবে। সুতরাং আমরা লিখতে পারি (৩)১৭ = (৩৩)৫ × (৩২) = (৩)১৫ × (৩)২ = (৩)১৫ × ৯। এই সংখ্যাকে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে অবশিষ্ট থাকবে = ৯।
Subscribe to:
Posts (Atom)


